(এই প্রতিবেদনটি Newschecker Hindiতে সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছে)
Claim
সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও শেয়ার করে দাবি করা হয়েছে লন্ডনে মন্দিরে ভাঙার কারণে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিকে পুলিশের সামনে পেটানো হয়েছে।

Fact
লন্ডনে মন্দিরে ভাঙার কারণে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিকে পুলিশের সামনে পেটানো হয়েছে এই দাবিটির সত্যতা যাচাই করার জন্য আমরা ভাইরাল ভিডিওটিকে ইনভিড টুলের মাধ্যমে কিছু ফ্রেমে ভাগ করে রিভার্স ইমেজ করি। এই পর্যায়ে আমরা Daily Mail এর একটি ভিডিও পাই ২৬শে সেপ্টেম্বরের। ভিডিওতে বলা হয়েছে মহসা আমিনীর মৃত্যুর পর লন্ডনের বেশ কিছু জায়গাতে আন্দোলন চলে। এই সময় এক স্থানে দুইজন ব্যক্তিদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি শুরু হয়। Daily Mail এর ভিডিওতে ৩মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের মাথায় ভাইরাল ভিডিওটির দৃশ্য দেখা যায়।
আমাদের অনুসন্ধানে news.com.au এর ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২২ এর একটি রিপোর্ট পাই যেখানে বলা হয়েছে লন্ডনের বেশ কিছু জায়গায় ইরানি তরুণী মহসা আমিনীর মৃত্যুর পর বেশ কিছু প্রতিবাদ সভা শুরু হয়। এছাড়াও লন্ডনে ইরানি দূতাবাসের সামনেও লোকজন জমায়েত হয়ে বক্ষব প্রদর্শন শুরু করে। এখানে পুলিশের সাথে জন সাধারণের হাতাহাতি শুরু হয় যার ফলে বেশ কিছু পুলিশ কর্মীদের চোট লাগে এবং ১২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এখানে জানিয়ে রাখি গত ২২শে সেপ্টেম্বরে লন্ডনে মহসা আমিনীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ তিনি পুলিশের কাস্টাডিতে মারা গিয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের কারণ ছিল সে হিজাবকে নিয়ে যে আইন চালু হয়েছে তা লঙ্ঘন করে ছিল। এরপর থেকেই বিশ্বে হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে ওঠে।
আমাদের অনুসন্ধানে প্রমাণিত যে লন্ডনে মন্দিরে ভাঙার কারণে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ব্যক্তিকে পুলিশের সামনে পেটানো হয়েছে দাবিটি মিথ্যে।