রবিবার, জুন 23, 2024
রবিবার, জুন 23, 2024

HomeFact CheckFact Check: ৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক...

Fact Check: ৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয়

Authors

With a penchant for reading, writing and asking questions, Paromita joined the fight to combat and spread awareness about fake news. Fact-checking is about research and asking questions, and that is what she loves to do.

ফেসবুকে সম্প্রতি ধ্বংস্তূপের মধ্যে আটকে একটি ছোট্ট বাচ্চার ছবি ভাইরাল হয়েছে যাকে ঘিরে দাবি করা হচ্ছে ৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের।

৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয় image 1
Courtesy: Facebook/Pathan Vai

ভাইরাল পোস্টে লেখা, ‘এটি অলৌকিকের থেকে কম কিছু নয়, কারণ বাচ্চাটিকে ভূমিকম্পের ১১২ঘন্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে সে এই ভাবে কি করে বেঁচে ছিল তখন সে জানায় এক সাদা পোশাকের ব্যক্তি তাকে রোজ জল ও খাবার দিয়ে যেত।’ 

ফেসবুক ছাড়াও এই ছবিটি শেয়ারচ্যাটেও ছড়িয়েছে।

৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয় image 2
Image taken from Shareachat

Fact check/ Verification 

৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয়।  ভাইরাল ছবিটির রিভার্স ইমেজ করার পর আমরা Dwan, Arab News এর লিংক পাই। 

৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয় image 3
Screenshot of Google revers image

২০২০ সালের ৪ঠা নভেম্বরের Dawn এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৯১ ঘন্টা কেটে যাওয়ার পর এক অবাক ঘটনা ঘটে যখন ধ্বংসস্তূপের থেকে ৩বছরের একটি বাচ্চাকে উদ্ধার করা হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে বছর তিনেকের আয়দা গেজগিনকে ভাঙাচোরা স্তুপের মধ্যে থেকে বের করে আনার মুহুর্তটি বিস্ময়কর ছিল। গেজগিন পরিবার তখন আবেগ ও আনন্দের বন্যায় ভাসছিলো ভূমিকম্পের ৪দিন পর তাদের ছোট্ট মেয়েকে জীবিত দেখে। 

৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি তুরস্কের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের নয় image 4
Screenshot of Dawn news

জানা গিয়েছে উদ্ধারকারী দল ক্লান্ত হলেও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে খুঁজে চলেছিল কোথাও কোনো প্রাণের চিহ্ন রয়েছে কিনা।এর মধ্যে ৩ বছরের আয়দা ও ১৪ বছরের অন্য একজনকে খুঁজে পায়। এই খবর পাওয়ার পর ইজমিরের মেয়র টুইট করে জানান ‘৯১ঘন্টা পর আমরা এক বিস্ময়কর ঘটনার সাক্ষী হলাম’ . 

২০২০ সালের অক্টোবরের শেষে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয় যাতে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তুর্কির ইজমির। ভূমিকম্পের সময় বিল্ডিং ধসে প্রায় একশো জনের মৃত্যু ঘটে, এবং যাদের বাঁচানো গিয়েছিল তাদের তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। আয়দাকে উদ্ধার করার পর কম্বলে মুড়ে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অর্থাৎ ৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি সাম্প্রতিক নয়, তিন বছর আগের তুরস্কের ভূমিকম্পের। 


Al Jazeera English টুইটার থেকেও তিন বছরের বাচ্চার উদ্ধার ঘটনার কথা জানতে পারি। ছবিতে উদ্ধারকারীদের সাথে আয়দাকে দেখা যাচ্ছে। জানিয়ে রাখি আমরা এমন কোনো রিপোর্ট পাইনি যেখানে বলা হয়েছে আয়দা এমন মন্তব্য করেছে যে সে ৪দিন ধরে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার সময় সাদা কাপড় পরিহিতি কোনো ব্যক্তি এসে তাকে জল ও খাবার দিয়ে যেত।

Conclusion

আমাদের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে ৫ বছরের বাচ্চার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকার ছবিটি ২০২০ সালে তুরস্কের ভূমিকম্পের ছবি যা এখন পুনরায় সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়েছে।

Result -Missing Context 

Our Sources

Media Report by Dawn, 4 Nov 2020
Media report by NDTV, 3 Nov 2020
Tweet by Al Jazeera English, 3 Nov 2020


সন্দেহজনক কোনো খবর ও তথ্য সম্পর্কে আপনার প্রতিক্রিয়া জানাতে অথবা সত্যতা জানতে আমাদের লিখে পাঠান checkthis@newschecker.in অথবা whatsapp করুন- 9999499044 এই নম্বরে। এছাড়াও আমাদের সাথে Contact Us -র মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন ও ফর্ম ভরতে পারেন।

Authors

With a penchant for reading, writing and asking questions, Paromita joined the fight to combat and spread awareness about fake news. Fact-checking is about research and asking questions, and that is what she loves to do.

Paromita Das
Paromita Das
With a penchant for reading, writing and asking questions, Paromita joined the fight to combat and spread awareness about fake news. Fact-checking is about research and asking questions, and that is what she loves to do.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular